About
Guidebooks

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নির্বাচনসংক্রান্ত ভুয়া তথ্য কীভাবে ছড়ায়?

নির্বাচন নিয়ে ভুয়া তথ্য শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়, আরও নানা জায়গায় ছড়ায়। তবে আমরা সেগুলোর প্রতিফলন সবচেয়ে বেশি দেখি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। যেমন, কোনো পোস্টে নির্বাচনের ভুল তারিখ উল্লেখ করা, ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের পদ্ধতি নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া, অথবা ভোট দেওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি যেমন, ডাকযোগে ভোট, ড্রপ-অফ ভোট কিংবা নির্বাচনের দিন সরাসরি ভোট—এসব বিষয়ে ভ্রান্ত তথ্য ছড়ানো। এ ছাড়া নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অনেক অপতথ্য ছড়ানো হয়। নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করা, ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলা—এ ধরনের তথ্য প্রায়ই দেখা যায়; যদিও বাস্তবে এসব ঘটনা খুবই বিরল।

আমরা দেখি, এই তথ্যগুলো কয়েকটি ভিন্ন পথে ছড়ায়।

 

সবচেয়ে সমস্যাজনক হয় তখনই, যখন নির্বাচিত নেতা বা প্রার্থীরাই এমন কাজ করেন। কারণ, নির্বাচনকে অবমূল্যায়ন করা বা মিথ্যা ছড়ানো শুধু অপতথ্য ছড়ানোর বিষয় না; এটা এমন একটি ব্যবস্থাকেই আঘাত করে, যার মাধ্যমে নেতারা জবাবদিহির আওতায় আসেন।

 

২০১৫ ও ২০১৬ সালের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কীভাবে অপতথ্য ছড়িয়ে রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, সে-বিষয়ে অনেক বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। এটি ভালো বিষয়, এসব প্রশ্ন তোলা জরুরি। তবে একই সঙ্গে ভাবা দরকার, এই অপতথ্য আসলে কোথা থেকে আসছে।

আমরা আরও দেখি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও নির্বাচনসংক্রান্ত ভুয়া তথ্য ছড়ায়। অর্থাৎ “সাধারণ” মানুষও এগুলো ছড়াচ্ছে। তবে আমার ধারণা, এর বড় একটি অংশই আসে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে পাওয়া সংকেত বা ইঙ্গিত থেকে, যারা নিজেরাই একই ধরনের তথ্য শেয়ার করছেন।

 

আরো পড়ুন