About
Guidebooks

‘ইনফ্লুয়েন্সাররা’ ভুয়া তথ্যের বড় উৎস, মনে করেন অস্ট্রেলিয়ানরা

বিশ্বব্যাপী প্রথাগত মিডিয়ার সংবাদের আবেদন দিন দিন কমছে। বৈশ্বিকভাবে মানুষ এখন তথ্যের জন্য ঝুঁকছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আর ইনফ্লুয়েন্সারদের দিকে। জনমত গঠনেও বর্তমানে ইনফ্লুয়েন্সাররা বড় ভূমিকা রাখছে।

তবে অস্ট্রেলিয়ায় একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অন্য যেকোনো উৎসের চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররাই বর্তমানে ভুয়া তথ্যের (misinformation) সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

‘ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট: অস্ট্রেলিয়া ২০২৫’ শীর্ষক গবেষণাটিতে আরো দেখা গেছে, প্রথাগত মিডিয়ার সংবাদ এড়িয়ে চলার প্রবণতা বাড়ছে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৬৯ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা সচেতনভাবেই প্রথাগত মিডিয়ার সংবাদ এড়িয়ে চলেন। বিশেষ করে নারী, তরুণ প্রজন্ম এবং আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই অনীহা সবচেয়ে বেশি।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির রয়টার্স ইনস্টিটিউটের তত্ত্বাবধানে ৪৮টি দেশে ডিজিটাল সংবাদ ব্যবহারের ওপর বার্ষিক জরিপ চালানো হয়। ‘ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট: অস্ট্রেলিয়া’ সেই বৈশ্বিক জরিপেরই অংশ। ২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ‘ইউগভ’ (YouGov) এই জরিপটি পরিচালনা করে। এতে বয়স, লিঙ্গ, অঞ্চল, শিক্ষা এবং রাজনৈতিক কোটা মেনে ২,০০৬ জন অস্ট্রেলিয়ান প্রাপ্তবয়স্ক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মতামত নেওয়া হয়েছে। এটি ছিল এই গবেষণার ১১তম সংস্করণ।

একদিকে প্রথাগত খবরের প্রতি বিমুখতা, অন্যদিকে ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রতি অবিশ্বাস; এই দ্বিমুখী সংকটে সাধারণ মানুষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবে কোথা থেকে? গবেষকরা অবশ্য কিছু সমাধানের পথও বাতলে দিয়েছেন।

 

ইনফ্লুয়েন্সারদের নিয়ে সন্দেহ কেন?

গবেষণায় গ্রাহকদের জিজ্ঞেস করা হয়, ভুল তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে তারা কাকে বড় হুমকি মনে করেন?

উত্তরদাতাদের অর্ধেকেরও বেশি (৫৭%) মনে করেন, অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সাররা প্রধান ঝুঁকি। এরপরেই আছেন অ্যাক্টিভিস্ট বা সমাজকর্মীরা (৫১%), বিদেশি ইনফ্লুয়েন্স (৪৯%), অস্ট্রলিয়ার রাজনৈতিক ব্যক্তিরা (৪৮%) এবং প্রথাগত সংবাদ মাধ্যম (৪৩%)।

জরিপের এই তথ্যের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেখানে জাতীয় রাজনীতিবিদদেরই ভুল তথ্যের সবচেয়ে বড় উৎস (৫৭%) মনে করা হয়।

 

আরো পড়ুন