১. লগ আউট করুন : অনলাইনে অথবা যে কোনো অ্যাপ ব্যবহার শেষে মনে করে লগ আউট করুন।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করুন : শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। যাতে সহজেই কেউ আপনার পাসওয়ার্ড ধারণা করে জেনে না যায়। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করবেন না।
৩. প্রাইভেসি সেটিংস পড়ুন : আপনার সকল অনলাইন অ্যাকাউন্টের, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রাইভেসি সেটিংস ভালোভাবে দেখে নিন।
৪. লোকেশন শেয়ার কমিয়ে দিন : স্মার্টফোনে জিপিএস লোকেশন ফিচার থাকে। আপনি না বুঝেই হয়তো নিজের লোকেশন শেয়ার করে ফেলছেন। প্রয়োজন না হলে লোকেশন শেয়ার বন্ধ রাখুন।
৫. ছবিতে লোকেশন বন্ধ রাখুন : আপনি কি জানেন, স্মার্টফোনে ছবি তুললে সেখানে আপনার লোকেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে যায়? অর্থাৎ আপনি সেলফি তুললেন এবং অনলাইনে আপলোড করলেন, এতে আপনার এক্সাক্ট লোকেশন যুক্ত থাকতে পারে।
৬. একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার আগে ভাবুন : আপনি আপনার ইনস্টাগ্রাম ফেসবুকের সঙ্গে বা পিন্টারেস্ট অন্য সামাজিক মাধ্যম নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন। এরফলে কিন্তু একইসঙ্গে অনেক মানুষ আপনার অনেক ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশ করতে পারবে।
৭. ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারে সতর্ক থাকুন : ফ্রি ইন্টারনেট পেলে কার না ভালো লাগে! তবে এতে আপনার প্রাইভেসি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
৮. HTTPS ব্যবহার করুন : যদি ওয়েবসাইটের ঠিকানা “https” দিয়ে শুরু হয়, তাহলে সেটি নিরাপদ। আর যদি “http” দিয়ে শুরু হয়, তবে সেটি সাধারণ পেজ।
৯. ইনকগনিটো, প্রাইভেট ব্রাউজিং বা InPrivate ব্রাউজিং ব্যবহার করুন : পাবলিক কিংবা পরিচিতজন; অন্যের ফোন, কম্পিউটার অথবা ট্যাব ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রাইভেট ব্রাউজিং সবচেয়ে নিরাপদ।
১০. একাধিক ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করুন: ইমেইল ঠিকানা তৈরি ফ্রি, তাই যত ইচ্ছা তৈরি করতে পারেন!