সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য ছড়াতে যারা নানা কৌশল ব্যবহার করে, তাদের সেসব ফাঁদ এড়ানোর উপায় ব্যাখ্যা করেছেন ক্যারোলাইনার একজন বিশেষজ্ঞ।
আপনি সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ এমন কোনো নতুন তথ্যের মুখোমুখি হলেন, যা আপনাকে ভীষণভাবে উত্তেজিত বা আবেগী করে তুলল। তখন আপনি কি তথ্যটির উৎস ও সত্যতা যাচাই করার জন্য একটু সময় নেন, নাকি সঙ্গে সঙ্গে পোস্টটি শেয়ার করে দেন?
যদি আপনি দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়ে থাকেন, তাহলে আপনি একা নন। আসলে এই ধরনের পোস্ট আমাদের কাছ থেকে ঠিক এই প্রতিক্রিয়াটাই বের করে আনতে চায়। শ্যানন ম্যাকগ্রেগর বলছেন, কিন্তু এভাবেই সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য (misinformation) ও অপতথ্য (disinformation) ছড়িয়ে পড়ে। তিনি হাসম্যান স্কুল অব জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়ার সহকারী অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর ইনফরমেশন, টেকনোলজি অ্যান্ড পাবলিক লাইফ–এর একজন জ্যেষ্ঠ গবেষক।
ভুল ও অপতথ্য কী, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা কীভাবে সেগুলো ছড়ায় এবং তুলনামূলকভাবে নতুন অ্যাপ টিকটক রাজনৈতিক বার্তা ছড়ানোর ক্ষেত্রে অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে কীভাবে আলাদা—দ্য ওয়েল এসব বিষয় নিয়ে ম্যাকগ্রেগরের সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি মূলত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করেন।
মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের মধ্যে পার্থক্য কী?
দুটোই ভুয়া তথ্য। পার্থক্য হলো, মিসইনফরমেশন বা ভুল তথ্য হলো এমন ভুয়া তথ্য, যা অনিচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে পড়ে; অথবা এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যাতে মানুষ অনিচ্ছায় বিভ্রান্ত হতে পারে। আর ডিসইনফরমেশন বা অপতথ্যের পেছনে থাকে স্পষ্ট উদ্দেশ্য—এটি ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা ভুয়া তথ্য, যা কোনো নির্দিষ্টভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত বা ভুল পথে পরিচালিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।